Think Big. Think Positive.
Think Smart. Think Beautiful.
Think Great. I know, that is too much for u,
so here is a shortcut.
JUST THINK ABOUT ME!
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
Your words of love steal
someone’s heart,
but you don’t know that your
heart is already stolen by me,
check it!
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
If Some1 Asks Me Whom Do I Love The Most
I Would Sit Next 2 U
Put My Arms Around U
&
Say Proudly
I Love Animals
Especially Dis Monkey
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
A – U’r Attractive
B – U’r D Best
C – U’r Cute
D – U’r Dear 2 me
E – U’r Excellent
F – U’r Funny
G – U’r Gud Looking
H – He He He
I – I’m
J – Just
K – Kidding
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
See the sky youll see Gods face,
see the rain you will dance once again,
see the moon you will see the depth of lake.
Now see the mirror and youll see the God cutest mistake.
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
The human brain is most outstanding thing…….
it functions 24hrs 365 days…..
it functions right from the time u r Born….
until you fall in love
Ai Mon chai sudu tomai Valobasi,
Ai Mon chai sudu tomar kacha Aasi,
Ai Mon chai tumar mukher akto Hasi,
Ai Mon chai sudu thakte tumar Pasapasi!
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
Eccha golo Akas cholo,Vaslo meghar sari,
Khusir jhora tepantore hridoy dilo pari,
Moner maje setar baje khusita mon saje,
Eidar din huq Rongin ai kamonate...EID MUBARAK
Love Sms korlam send Priyar numberate,
Sms porlo giya mayer babar hate.
Kopal kharap hole buji koto kichu e hoy
Priyar baba Mobile a dakhai sudu voy.
Ak Sms ae lega galo Jilapir pach,
Taito akhon korina ar Mobile SmsNetwork niya Raja Rani boro payrasan,
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
Paira diya korlo suro chithi aadan prodan,Chithi charai paira ekdin Rajar kacha galo,
Tina dakha Raja saheb khube raga galo,
Bari fira Raja bola ata holo ki?
Rani bola ata chilo Miss Call tao bujoni!!
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
Tur eccha golo ura bayrak pakhna doti mala,Dingoli tur jakna keta amni hasa khala,
Aoporno na thaka jano tur kuno shokh,
Ai kamonay bondo tuka Eid-Mubarak.
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
Tur jonna aanta pari akas thaka tara,Tui bolla bachta pari oxyzen chara,
Prithibi takeo lutate pari bondo turi pai,
Abar tuie bol avaba koto r mittha bola jai!!
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
Tumi akhon bondo...amar khub Dear,Amakeo rakho tumar... ridoyer Near,
God chara kaoka tumi...karona Fear,
Dekhba kovo jibona tumar...asbena Tear.
একদা শিষ্যদের নিয়ে মেলায় গেলেন হোজ্জা। এক জায়গায় দেখতে পেলেন তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। খেলায় অংশগ্রহণ করে প্রথম তীরটি নিক্ষেপ করলেন হোজ্জা। কিন্তু তীর গিয়ে পড়ল মাত্র কয়েক হাত দূরে। সবাই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে দেখে হোজ্জা বললেন, "আসলে এমনটি ঘটে সে মানুষের ক্ষেত্রে যে নিজেকে সবসময় ছোট ভাবে।"
"আর এমনটি ঘটে..." তীর নিক্ষেপ করেন হোজ্জা। নির্ধারিত জায়গার উপর দিয়ে বেশ দূরে গিয়ে পড়ে তীরটি এবার, আবারও হাসতে থাকে জনতা। "..এমনটি ঘটে যে মানুষ উদ্ধত আত্মবিশ্বাসে ভুগে, তার ক্ষেত্রে।"
"আর এ হচ্ছে..."আবারও তীর নিক্ষেপ করেন হোজ্জা, ঠিক জায়গামত বিদ্ধ হয় এবার। হোজ্জা শান্ত গলায় বলেন, "এ হচ্ছে আমি।"
--------------------------------------------------------------------------------
হাটবারের দিন রাস্তায় দাঁড়িয়ে জড়বুদ্ধির মতো আচরণ করতেন হোজ্জা, ফলে নির্বোধ ভেবে মানুষ তাকে মুদ্রা দান করত। কিন্তু তার সামনে দুটি মুদ্রা তুলে ধরা হলে, সর্বদাই তিনি ছোট মুদ্রাটি গ্রহণ করতেন, যতবারই, যেভাবেই দেয়া হোক না কেন।
একদিন সদাশয় এক ব্যক্তি তাকে বললেন, "নাসিরুদ্দীন, তুমি তো বড় মুদ্রাটা নিতে পার। এতে তোমার দ্রুত বেশ কিছু টাকা-পয়সা জমে যাবে আর মানুষও আগের মতো তোমাকে নিয়ে তামাশা করতে পারবে না।"
"হুমম, আপনি যা বলছেন তা হয়তো ঠিক হতে পারে। কিন্তু আমি ভাবছি, আমি যদি সবসময় বড় মুদ্রাটা গ্রহণ করি, তাহলে মানুষ আমাকে তাদের চেয়েও নির্বোধ ভেবে যে আনন্দটা পায়, সে আনন্দটা আর পাবে না, ফলে দান হয়তো একেবারেই বন্ধ করে দিবে।" হোজ্জা জবাব দেন।
--------------------------------------------------------------------------------
"আমি যখন মরুভূমিতে ছিলাম," এক স্মৃতিচারণায় বললেন হোজ্জা, "তখন রক্তলোলুপ, নৃশংস একদল বেদুইনকে দৌঁড়িয়েছিলাম।"
"খালি হাতে!" বিস্ময়ে প্রশ্ন করে দর্শক।
"হ্যাঁ, কেবল ছোট একটা লাঠি ছিল আমার হাতে।"
"কিন্তু এ কীভাবে সম্ভব, হোজ্জা!"
"খুবই সহজ। আমি ঝড়ের বেগে দৌঁড়াচ্ছিলাম, আর তারাও আমার পেছন পেছন দৌঁড়াচ্ছিল।"
--------------------------------------------------------------------------------
গোধূলি বেলায় নির্জন মরুপথে একাকি হাঁটতে হাঁটতে হোজ্জা দেখলেন ধূলিঝড় উঠিয়ে একদল ঘোড়সওয়ার আসছে তার দিকে। চিন্তার ঝড় খেলতে লাগল তাঁর মনে, কল্পনায় তিনি নিজেকে দেখতে লাগলেন বন্দী, ডাকাতির শিকার কিংবা নিহত অবস্থায়। উৎকণ্ঠায় হৃদপিণ্ড তাঁর গলায় উঠে আসার উপক্রম হলো। দ্রুত এক কবরস্থানের দেয়ালে বেয়ে অন্যপাশে চলে গেলেন তিনি, তারপর খোলা এক কবরে মরার মতো পড়ে রইলেন।
তার এই অদ্ভুত ব্যবহার লক্ষ করল ঘোড়সওয়ারগণ এবং অনুসরণ করে তার কাছে এসে পড়ল। হোজ্জা তখন ভয়ে কাঁপছেন।
"এই কবরে আপনি কী করছেন? আমরা দেখলাম আপনি দৌঁড়ে চলে গেলেন। আমরা কি কোনো সাহায্য করতে পারি আপনার?" কোমল গলায় দলনেতা জানতে চান।
"আপনি একটি প্রশ্ন করেছেন, তার মানে এই নয় যে এর সরল-সোজা কোনো উত্তর আছে।" বিপদ কেটে গেছে বুঝতে পেরে হোজ্জা বলতে লাগলেন। " আসলে ব্যাপারটি নির্ভর করে দৃষ্টিভঙ্গির উপর। আর যদি সত্যি সত্যি জানতে চান, তাহলে বলি, আমি এখানে এসেছি আপনাদের কারণে, আর আপনারা এখানে এসেছেন আমার কারণে।"
--------------------------------------------------------------------------------
কাজী থাকাকালীন একদা নিজের কক্ষে বসে কাজ করছেন হোজ্জা। এমন সময় এক প্রতিবেশি এসে বললেন, "আচ্ছা, হোজ্জা, একজনের গরু যদি আরেকজনের গরু মেরে ফেলে, এর বিধান কী? প্রথম গরুর মালিক কি এতে দায়ী হবে?"
"এটা আসলে নির্ভর করে...।"
"আচ্ছা, তাহলে খুলেই বলি, আপনার গরুটা আমার একটা গরুকে মেরে ফেলেছে।"
"ওহ! সবাই জানে একটা গরু কখনো মানুষের মতো চিন্তা করতে পারে না, তাই গরুর কোনো বিচার হতে পারে না, আর এর মানে হচ্ছে, গরুর মালিকও দায়ী হতে পারেন না।"
"আমি আসলে একটা ভুল করেছি, হোজ্জা। আমি বলতে চাচ্ছিলাম আমার গরুটা আপনার গরুকে মেরে ফেলেছে।"
নাসিরুদ্দীন কয়েক মুহূর্ত চিন্তা করেন। তারপর বলেন, "একটু গভীরভাবে চিন্তা করে দেখলাম, বিষয়টা আসলে প্রথমে যেরকম ভেবেছিলাম, অতটা সহজ নয়।"
তারপর কেরাণীর দিকে ফিরে নির্দেশ দিলেন, "তোমার পেছনে বইয়ের তাক থেকে মোটা বইটা পেড়ে নিয়ে আস তো।"
--------------------------------------------------------------------------------
একদিন হোজ্জা তার প্রিয় গাধার পিঠে লবণ বোঝাই করে বাজারের দিকে রওনা দিলেন। পথে একটা নদী পড়ল।গাধাসহ নদী পার হলেন।কিন্তু নদীর পানিতে লবণ গলে একাকার।পণ্য হারিয়ে হোজ্জা বিরক্ত।গাধা তো মহা খুশি বোঝা থেকে বেঁচে গিয়ে।
এর পরেরবারও হোজ্জা ওই পথ দিয়ে গেলেন, তবে এবার তুলা বোঝাই করে।গাধা যখন নদী পার হলো তখন তুলা ভিজে ওজন বেড়ে গেল।গাধা ওজনদার মাল নিয়ে টলমল পায়ে এগিয়ে যেতে লাগল।
হাহ্! হোজ্জা চেঁচিয়ে বললেন, কেমন জব্দ! ভেবেছিলি প্রতিবার পানি দিয়ে গেলে পিঠের ওপরের মালের ওজন কমে যাবে, তাই না?
--------------------------------------------------------------------------------
হোজ্জাকে একদিন একজন রাস্তায় থামিয়ে জিজ্ঞেস করল, আজকে সপ্তাহের কোন দিন?
বলতে পারব না, জবাবে হোজ্জা বললেন, আমি এই এলাকায় নতুন।জানি না এখানকার মানুষেরা সপ্তাহের কোন দিনটি মেনে চলে।
--------------------------------------------------------------------------------
একদিন হোজ্জার স্ত্রী খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসক ডাকতে বলেন।হোজ্জা তাঁর স্ত্রীর অসুস্থতা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়লেন।তিনি ছুটে গেলেন চিকিৎসক ডেকে আনার জন্য।কিন্তু রাস্তার দিকের জানালার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্ত্রী জানালা দিয়ে গলা বের করে চেঁচিয়ে বললেন, আল্লাহকে ধন্যবাদ! ব্যথাটা চলে গেছে, চিকিৎসকের দরকার নেই।
হোজ্জা স্ত্রীর কথা শুনলেন এবং চিকিৎসকের বাড়ির দিকে দৌড়ে গেলেন।বললেন, ডাক্তার, আমার স্ত্রী খুব অসুস্থ ছিল এবং আপনাকে ডেকে আনার জন্য বলেছিল।কিন্তু আপনাকে ডেকে আনতে বের হওয়ার সময় বলল সে সুস্থ বোধ করছে, আপনাকে ডাকার দরকার নেই।তাই আপনাকে পুরো ব্যাপারটা বলতে এলাম এই জন্য যে তাকে দেখতে আসতে হবে না।
--------------------------------------------------------------------------------
রাজার মেজাজ খারাপ।রাজপ্রাসাদ থেকে বেরিয়ে শিকারে যাওয়ার পথে হোজ্জা সামনে পড়ে গেলেন।
শিকারে যাওয়ার পথে হোজ্জার সামনে পড়ে যাওয়াটা আমার ভাগ্যের জন্য খারাপ, প্রহরীদের রাগত গলায় বললেন রাজা।আমার দিকে ওকে তাকাতে দিয়ো না-চাবুকপেটা করে ওকে পথ থেকে সরিয়ে দাও।
প্রহরীরা তা-ই করল।
শিকার কিন্তু ভালোই হলো।
রাজা হোজ্জাকে ডেকে পাঠালেন।
আমি সত্যি দুঃখিত, হোজ্জা।ভেবেছিলাম তুমি অশুভ।কিন্তু তুমি তা নও।
আপনি ভেবেছিলেন আমি অশুভ!হোজ্জা বললেন।আপনি আমাকে দেখার পর ভালো শিকার করেছেন।আর আমি আপনাকে দেখে চাবুকপেটা খেয়েছি।কে যে কার অশুভ, বুঝলাম না।
--------------------------------------------------------------------------------
বিবির পিড়াপিড়িতে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা একটা গরু কিনল।কিন্তু গরু ও গাধার জন্য গোয়াল ঘরে পর্যাপ্ত যায়গা না থাকায়, একটা ঘুমালে আরেকটাকে দাড়িয়ে থাকতে হতো।প্রিয় গাধার এই দুরবস্থা দেখে হোজ্জা একদিন খোদার কাছে প্রার্থনা করছে:
হে আল্লাহ, দয়া করে গরুটাকে মেরে ফেল যাতে আমার গাধাটা একটু আরাম করে ঘুমাইতে পারে
পরদিন সকালে সে গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখে যে গাধাটা মরে পরে আছে।প্রানপ্রিয় গাধার মৃত্যুতে দুঃখিত ও হতাশ হয়ে হোজ্জা বিরস বদনে আকাশের দিকে তাকায়ে বলল:
কোন অভিযোগ করবনা, খোদা, কিন্তু তুমি এতদিন ধরে সারা দুনিয়ার মালিক হয়েও, কোনটা গরু কোনটা গাধা এইটা চিনলানা!
--------------------------------------------------------------------------------
একবার নাসিরুদ্দিন হোজ্জা অসুস্থ।নিজের গাধাটাকে খাওয়ানোর জন্য বিবিকে বললেন।হোজ্জার বিবি একটু ত্যাদড় টাইপের।সে গাধা কে খাবার দিতে অস্বীকার করল।দুজনের মধ্যে এই নিয়ে তুমুল ঝগড়া।তারপর একটা সমঝোতা হল, যে আগে কথা বলবে সে গাধাকে খাওয়াবে।হোজ্জা বাজিতে জেতার ব্যপারে ডিটারমাইন্ড ছিল।
সেইদিনই, হোজ্জার বিবি বাইরে গেছে, খালি বাসা দেখে একটা চোর ঘরে ঢুকল।হোজ্জা বাসায় ছিল, কিন্তু বাজিতে হেরে যাওয়ার ভয়ে চোরকে কিছু বলল না।চোর নির্বিঘ্নে ঘরের সব কিছু নিয়ে চলে গেল।হোজ্জার স্ত্রী বাসায় ফিরে এসে যখন দেখল সব কিছু খালি, চিৎকার দিয়ে বলল, হায় আল্লা! কি হইছে?
হোজ্জা খুশিতে লাফিয়ে উঠল, আমি জিতছি বাজিতে, এখন তোমারেই গাধাকে খাওয়ান লাগবে।
--------------------------------------------------------------------------------
একদিন হোজ্জা বাজার থেকে কলিজা কিনে বাসায় যাচ্ছিলেন।এদিকে তাঁর এক বন্ধু তাঁকে কলিজার পাই বানানোর রেসিপি দিয়েছিলেন, যাতে বাসায় গিয়ে কলিজার পাই রান্না করতে পারেন।কিন্তু হঠাৎ একটি বাজপাখি উড়ে এসে কলিজা ছিনিয়ে নিয়ে একেবারে নাগালের বাইরে উড়ে চলে গেল।
বোকা কোথাকার!চেঁচিয়ে হোজ্জা বললেন, কলিজা নিয়ে গেছ ঠিক আছে, কিন্তু প্রস্তুত প্রণালী (রেসিপি )তো আমার কাছে!
--------------------------------------------------------------------------------
এক তুর্কির ষাঁড় হোজ্জার বাগানের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢুকে তছনছ করে দিয়ে মালিকের কাছে ফিরে গেল।হোজ্জা পুরো ব্যাপারটা লক্ষ করলেন, তারপর একটা বেত নিয়ে বেরিয়ে এসে ষাঁড়টাকে পেটাতে শুরু করলেন।
কোন সাহসে আমার ষাঁড়কে আপনি পেটাচ্ছেন! তুর্কি চেঁচিয়ে বলল।
কিছু মনে করবেন না আপনি, হোজ্জা বললেন, ও পুরো ব্যাপারটা জানে।এটা ওর আর আমার ব্যাপার!
এক কচ্ছপ গেছে স্টেশনমাস্টারের কাছে।
‘আচ্ছা, সিলেট যাওয়ার ট্রেনটা কখন আসবে?’
‘সে তো আরও দুই ঘণ্টা দেরি।’ জানালেন স্টেশনমাস্টার।
আচ্ছা, চট্টগ্রাম থেকে ফিরবে যে ট্রেনটা, সেটা কখন আসবে?
‘তিন ঘণ্টার আগে নয়।’ স্টেশনমাস্টারের ত্বরিত জবাব।
সব শুনে কচ্ছপ কী বুঝল কে জানে, গুটি গুটি পায়ে প্লাটফর্মের নিচে রেললাইনের দিকে এগোল। দেখে একটু মনখারাপই হলো স্টেশনমাস্টারের। পেছন থেকে হেঁকে ডাকলেন কচ্ছপকে—কিহে, কোথাও যেতে চাইছিলে? টিকিট লাগবে?
‘কোথাও যাচ্ছি না। আমি শুধু নিশ্চিত হতে চাইছিলাম আমি রেললাইনটা পার হওয়ার আগেই আবার হুড়মুড়িয়ে কোনো ট্রেন এসে পড়ে কি না।’ জবাব দিল কচ্ছপ।
----------------------------------------------------
এক ডাক্তার গেছেন দোকানে। জুতা কিনে কাউন্টারে মূল্য পরিশোধ করে ফেরার সময় দোকানদারের কাছে জানতে চাইলেন, ‘জুতাগুলো কেমন টিকবে।’
‘এটা নির্ভর করছে ব্যবহারের ওপর। আপনি যদি জুতা পায়েই না দেন, তবে সারা জীবনেও এগুলোর কিছু হবে না।’ রসিকতা করে দোকানদার বললেন।
কিছুদিন পর ওই দোকানদার অসুস্থ হয়ে গেছেন ওই ডাক্তারের চেম্বারে। ডাক্তার তাঁকে দেখেটেখে ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেন। ডাক্তারের ফি জমা দিয়ে যাওয়ার সময় রোগী জিজ্ঞেস করলেন, ‘ভালো হতে কত দিন লাগতে পারে, ডাক্তার সাহেব?’
‘এটা নির্ভর করছে অনেক কিছুর ওপর। আপনি ওষুধগুলো না খেলে সারা জীবনেও কিছু হবে না।’ জবাব দিলেন ডাক্তার।
----------------------------------------------------
একদিন ক্লাসে শিক্ষক হঠাত্ প্রশ্ন করলেন, ‘যারা নিজেকে বোকা ভাবো তারা উঠে দাঁড়াও।’ স্বাভাবিকভাবেই কেউ উঠে দাঁড়াল না। খানিক পর মুখে একটা ফিচেল হাসি নিয়ে উঠে দাঁড়াল ক্লাসের সবচেয়ে পাজি ছাত্রটা।
শিক্ষক: ওহ্, তাহলে তুমি নিজেকে বোকা ভাবো?
ছাত্র: ব্যাপার হচ্ছে স্যার, ঠিক তা নয়। পেছন থেকে আপনার দাঁড়িয়ে থাকাটা ভালোভাবে দেখা যাচ্ছিল না।
----------------------------------------------------
নতুন চাকরি হারিয়ে এক লোক হঠাত্ অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়ল। শেষ টাকা দিয়ে হোটেলে খাওয়ার সময় মনে মনে একটা ফন্দি আঁটল। সিনেমায় যেভাবে অপহরণ করে মুক্তিপণের টাকা পাওয়া যায়, সেভাবে কিছু একটা তাকে করতে হবে। যেই ভাবা সেই কাজ। হোটেল থেকে বেরিয়ে সে চলে গেল বাচ্চাদের খেলার মাঠে। সেখান থেকে একটি ছেলেকে ধরে নিজের বাসায় নিয়ে গেল। এরপর একটি চিঠি লিখল বাচ্চার বাবার উদ্দেশে, ‘১০ লাখ টাকা নিয়ে খেলার মাঠে আসুন। না হলে আপনার বাচ্চা ফেরত পাবেন না।’ এরপর তার মাথায় এল, চিঠিটা কি বাচ্চার বাবার কাছে পৌঁছাবে?
অনেক ভেবেচিন্তে শেষে চিঠি ছেলেটার হাতে দিয়ে বললেন, ‘এটা তুমি তোমার বাবাকে দেবে।’ এরপর ছেলেকে তিনি তার বাসায় পৌঁছে দিয়ে এলেন।
----------------------------------------------------
বিল ক্লিনটনের সময় এক জাপানি মন্ত্রী দেখা করতে যাবেন ক্লিনটনের সঙ্গে। কিন্তু সমস্যা হলো, তিনি ইংরেজি জানেন না। তাই তাঁকে ক্লিনটনের সঙ্গে কথা বলার মতো কয়েকটি ইংরেজি শিখিয়ে দেওয়া হলো। যেমন, প্রথমেই যেন তিনি ক্লিনটনের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে বলেন, ‘হাউ আর ইউ?’ তখন ক্লিনটন বলবেন, ‘ফাইন, অ্যান্ড ইউ?’ তখন তিনি বলবেন,‘মি টুু।’
যথাসময়ে তিনি আমেরিকা পৌঁছালেন। ঠিক সময়ে বিল ক্লিনটনও তাঁর সামনে এলেন। কিন্তু সমস্যা হলো, এর মধ্যে জাপানি মন্ত্রী যা শিখে এসেছিলেন, সেসব বেমালুম ভুলে গেছেন।
ক্লিনটন এসে করমর্দন করলেন। জাপানি ভদ্রলোক বললেন, ‘হু আর ইউ?’
ক্লিনটন ব্যাপারটা বুঝতে পেরে একটু রসিকতা করে বললেন, ‘আই অ্যাম হিলারিস হাসব্যান্ড। হা হা হা, অ্যান্ড ইউ?’
‘মি টু’, হা হা হা হাসতে হাসতে জবাব দিলেন জাপানি মন্ত্রী।
একদিন নন্দলাল ভাবল, সে আত্মহত্যা করবে। তাই সে কিছু খাবারদাবার আর একটা পানির বোতল নিয়ে ট্রেনের নিচে আত্মহত্যা করার জন্য রেললাইনের ওপর বসে আছে। খাবারদাবারও শেষ, কিন্তু ট্রেন আর আসে না। এমন সময় এক লোক এসে নন্দলালকে প্রশ্ন করল, ‘এত ব্যাগ নিয়ে এই রেললাইনের ওপর বসে করছেনটা কী, বলুন তো মশাই?’
নন্দলাল বলল, ‘মশাই, দেখুন তো কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি, কিন্তু ট্রেন আসার কোনো নিশানা নেই! ট্রেনে মরার বদলে শেষে না আবার খিদের জ্বালায়ই মরে যাই!’
--------------------------------------------------------------------------------------
একদিন নন্দলাল তার গাড়িটি ঠেলেঠুলে রাস্তা থেকে নিচে নামিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পাশে একটা সাইনবোর্ডে ইংরেজিতে লেখা, ‘নন্দলাল ইজ জাস্ট স্ট্যান্ডিং দেয়ার।’ ঠিক ওই পথ ধরেই যাচ্ছিল হীরালাল। নন্দলালের এ অবস্থা দেখে তো হীরালাল অবাক। হীরালাল নন্দলালকে জিজ্ঞেস করল, ‘রাস্তা থেকে নেমে তুমি কী করছ এখানে?’
নন্দলাল বলল, ‘এবার আমি নোবেল পুরস্কার জেতার চেষ্টা করছি। তুমি বিরক্ত কোরো না তো! যাও এখন।’
হীরালাল বলল, ‘কিন্তু সেটা কীভাবে? তুমি তো দেখছি এক সাইনবোর্ড লাগিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছ।’
নন্দলাল বলল, ‘বোকার মতো কথা বলো কেন। তুমি জানো না যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে আউটস্ট্যান্ডিং, তারাই কেবল নোবেল পায়। তাই তো আমি আউটস্ট্যান্ডিং হয়েই দাঁড়িয়ে আছি। এই যাহ্, তোমাকে বুদ্ধিটা দিয়ে তো ভুলই করে ফেললাম মনে হয়।’
--------------------------------------------------------------------------------------
একদিন নন্দলাল মাঠের মধ্যে কিছু লোকের অদ্ভুত দৌড় দেখে নিজেও তাদের পিছু পিছু দৌড়াতে লাগল এবং একজনকে বলল, ‘আরে মশাই, আপনারা এ রকম আঁকাবাঁকা করে দৌড়াচ্ছেন কেন?’ দৌড়াতে দৌড়াতেই একজন প্রতিযোগী বললেন, ‘এটা হচ্ছে গিয়ে ম্যারাথন দৌড়। জিতলে একজনকে পুরস্কার দেওয়া হবে। তাই এভাবে দৌড়াচ্ছি।’ এবার নন্দলাল একটু ভেবে বলল, ‘কেবল একজনকে পুরস্কার দেওয়া হবে! তবে পেছনে এতগুলো লোক বোকার মতো দৌড়াচ্ছে কেন?’
--------------------------------------------------------------------------------------
একদিন নন্দলাল বিলের ধারে বসে আছে। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে নন্দলালকে জিজ্ঞেস করল, ‘ভাই, এই বিলের গভীরতা কেমন হবে, বলতে পারেন?’ নন্দলাল একবাক্যেই বলে দিল, ‘হবে হয়তো এক ফুটের কাছাকাছি!’ এ কথা শুনে লোকটি তো তাজ্জব বনে গেল। সে আবারও নন্দলালকে জিজ্ঞেস করল, ‘মশাই, আপনি এত নিশ্চিত হলেন কী করে যে এই বিলের গভীরতা মাত্র এক ফুট? আপনি কি কখনো এই বিলে নেমেছিলেন?’ নন্দলাল বলল, ‘না, আমি কখনো এ বিলে নামিনি। তবে একটু আগে একটা হাঁসকে নামতে দেখেছি। কিন্তু হাঁসটার শুধু পা দুটোই জলে ডুবে ছিল। গভীরতা বেশি হলে তো পুরো হাঁসেরই ডুবে যাওয়ার কথা ছিল, তাই না!’
--------------------------------------------------------------------------------------
একদিন নন্দলাল এক ডাক্তার-বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় গেল। একটু পর হুট করেই বৃষ্টি শুরু হলো। বৃষ্টি দেখে ডাক্তার বললেন, ‘নন্দলাল, তোমার তো ছাতা নেই আর বাইরেও খুব বৃষ্টি, তুমি বরং আজকের রাতটা আমার বাসায়ই থেকে যাও।’ নন্দলাল তো এক কথায় রাজি হয়ে গেল। ভেতর থেকে ডাক্তার রাতের খাবারের জন্য নন্দলালকে ডাকতে এসে দেখলেন, সে নেই। ডাক্তার মহা চিন্তায় পড়লেন। একটু পর নন্দলাল গায়ের কাপড় ভেজা অবস্থায় হাতে একটা রাতের পোশাক নিয়ে ডাক্তারের সামনে হাজির হলো। ডাক্তার নন্দলালকে দেখে রাগত স্বরে বললেন, ‘আমাকে না জানিয়ে এতক্ষণ কোথায় ছিলে? আমি তো মহা চিন্তায় পড়েছিলাম।’ নন্দলাল বলল, ‘আমি যে বৃষ্টির কারণে আজকের রাতটা তোমার বাসায় থাকব, সে কথাটি আমার বাসায় বলতে গিয়েছিলাম। আর সেই সঙ্গে রাতের পোশাকটাও নিয়ে এলাম।’